Read more
বিদ্যাসাগর উদ্যান পাঁশকুড়া পুরসভা
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া (Panskura)
শহরের একটি সুন্দর পার্ক ।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লক্ষ্য করা যাচ্ছে:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি: ভিডিওর শুরুতে একটি সাদা রঙের বড় মূর্তি দেখা যাচ্ছে, যা বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।
"I Love Panskura" সাইনবোর্ড: ভিডিওর শেষের দিকে একটি আলোকোজ্জ্বল সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে যেখানে বড় অক্ষরে লেখা আছে "I ❤️ PANSKURA"। এটি সাধারণত শহরের কোনো পার্ক বা পর্যটন কেন্দ্রে দেখা যায়।
পরিবেশ: জায়গাটি খুব সুন্দরভাবে সাজানো, যেখানে সারি সারি ফুলের টব, পাম গাছ এবং আধুনিক আলোকসজ্জা রয়েছে।
এটি মূলত পাঁশকুড়ার একটি জনপ্রিয় জনসমাগমস্থল বা পার্ক যা রাতে আলোকসজ্জায় চমৎকার দেখায়।
পাঁশকুড়া (Panskura)
শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই পার্কটি বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের কাছে একটি অত্যন্ত প্রিয় স্থান। আপনার ভিডিওতে দেখা এই সুন্দর জায়গাটি সম্পর্কে কিছু মূল তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর পার্ক, পাঁশকুড়া
এই পার্কটি মূলত সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে। পাঁশকুড়া পুরসভা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এই এলাকাটিকে একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
প্রধান আকর্ষণসমূহ:
বিশাল মূর্তি: পার্কের একদম মাঝখানে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিশাল শ্বেতশুভ্র মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে, যা রাতে আলোকসজ্জার মাধ্যমে আরও চমৎকার দেখায়।
"I Love Panskura" পয়েন্ট: ভিডিওতে দেখা 'I ❤️ PANSKURA' সাইনবোর্ডটি বর্তমানে এই শহরের অন্যতম জনপ্রিয় সেলফি জোন। এটি মূলত পাঁশকুড়া শহরের পরিচিতিকে তুলে ধরে।
পরিবেশ ও সাজসজ্জা: পার্কটির চারপাশ জুড়ে রয়েছে সুন্দর বাগান, রঙিন ফুলের টব এবং সারিবদ্ধ পাম গাছ। হাঁটাচলার জন্য রয়েছে উন্নতমানের পেভার ব্লকের রাস্তা।
নৈশ সৌন্দর্য: রাতের বেলা পার্কটি নিয়ন আলোয় সেজে ওঠে, যা ভিডিওটিতেও খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এটি একটি শান্ত ও নিরাপদ জায়গা।
গুরুত্ব:
পাঁশকুড়া মূলত একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এবং রেলওয়ে জংশন শহর। শহরের কোলাহল থেকে দূরে স্থানীয় মানুষের বিনোদনের জন্য এই পার্কটি একটি 'গ্রিন জোন' হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে সন্ধ্যায় এখানে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে।
পাঁশকুড়ার এই পার্কটি (বিদ্যাসাগর উদ্যান) ঘোরার খরচ খুবই সামান্য এবং সাধারণ মানুষের বাজেটের মধ্যেই। আপনার ভিডিওতে দেখা এই পার্কটির আনুমানিক খরচ এবং আনুষঙ্গিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
প্রবেশ মূল্য ও যাতায়াত খরচ (আনুমানিক):
|
খাতের নাম |
আনুমানিক খরচ (টাকা) |
|
প্রবেশ টিকিট (Entry Fee) |
জনপ্রতি ২০ টাকা (এটি সময় বিশেষে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে)। |
|
পার্কিং
(Parking) |
সাইকেল বা বাইকের জন্য সাধারণত ১০-২০ টাকা নেওয়া হয়। |
|
যাতায়াত (পাঁশকুড়া স্টেশন থেকে) |
টোটোতে করে গেলে জনপ্রতি ১৫-২০ টাকা ভাড়া লাগে। |
পার্কটি সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য:
অবস্থান: এটি পাঁশকুড়া পুরসভার (Panskura Municipality) খুব কাছেই অবস্থিত।
সময়: সাধারণত বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এটি জনসাধারণের জন্য খোলা থাকে (ছুটির দিনে ভিড় বেশি হয়)।
সুবিধা: পার্কের ভেতরে বাচ্চাদের খেলার জায়গা, বসার জায়গা এবং চমৎকার লাইটিংয়ের ব্যবস্থা আছে। ভিডিওতে আপনি যে "I
Love Panskura" সাইনবোর্ডটি দেখেছেন, সেটি এখানে ছবি তোলার জন্য সবথেকে জনপ্রিয় জায়গা।
খাবার: পার্কের আশেপাশে এবং ভেতরে হালকা স্ন্যাকস বা খাবারের স্টল পাওয়া যায়।
বিদ্যাসাগর উদ্যান এবং তার আধুনিক সাজসজ্জা দেখছেন, এটি পাঁশকুড়া পুরসভার একটি বড় প্রকল্প। এর তৈরির খরচ (Making
Charge) সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
প্রকল্পের ব্যয় (Project Cost):
পাঁশকুড়ার এই পার্কটিকে আধুনিক রূপে সাজিয়ে তোলার জন্য আনুমানিক ১ কোটি টাকারও বেশি (১.২ - ১.৫ কোটি টাকা প্রায়) খরচ করা হয়েছে। এটি সরকারি অনুদান এবং পুরসভার নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
খরচের প্রধান খাতসমূহ:
এই বিশাল ব্যয়ের পেছনে বেশ কিছু নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে:
"I Love Panskura" সাইনবোর্ড: এই ধরনের থ্রি-ডি (3D) এলইডি গেট বা সাইনবোর্ড তৈরি এবং ইনস্টলেশনের জন্য সাধারণত ২ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয় (উপাদান এবং আকারের ওপর ভিত্তি করে)।
বিদ্যাসাগরের শ্বেতশুভ্র মূর্তি: একটি বড় আকারের শৈল্পিক মূর্তি তৈরি ও স্থাপনে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় হয়।
আলোকসজ্জা
(Decorative Lighting): ভিডিওতে দেখা আধুনিক নিয়ন এবং ফ্লাড লাইট সেটআপের জন্য বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ থাকে।
ল্যান্ডস্কেপিং ও সিটিং এরিয়া: পার্কের ভেতরের পেভার ব্লক বসানো রাস্তা, ফুলের বাগান এবং বসার জায়গা তৈরির খরচও এর অন্তর্ভুক্ত।

0 Reviews