জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি

জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি

Size

Read more



 জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি 

নীলমণি ফুকন, দামোদর মৌজো এবং গুলজারের পর আপনি যাঁর নাম নিয়েছেন, সেই বিনোদ কুমার শুক্ল (Vinod Kumar Shukla) বর্তমান ভারতীয় সাহিত্যের এক বিস্ময়কর ও জাদুকরী নাম। হিন্দি সাহিত্যের এই প্রবীণ লেখককে বলা হয় 'ম্যাজিকাল রিয়ালিজম' বা জাদুকরী বাস্তববাদের ভারতীয় রূপকার।

সবচেয়ে বড় খবর হলো, ২০২৩ সালে তিনিও আন্তর্জাতিক স্তরে অত্যন্ত সম্মানজনক 'পেন/নাবোকভ পুরস্কার' (PEN/Nabokov Award for Achievement in International Literature) লাভ করেছেন, যা তাঁকে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

বিনোদ কুমার শুক্লর জগতটি কেন এত আলাদা, তা নিচের পয়েন্টগুলো থেকে বোঝা যাবে:

১. অতি-সাধারণের মধ্যে অসাধারণত্ব

শুক্লর লেখার বড় গুণ হলো তিনি খুব সাধারণ, দৈনন্দিন জিনিসের মধ্যে অদ্ভুত সৌন্দর্য খুঁজে পান। তাঁর কাছে একটি জানালা, একটি দেওয়াল বা সাধারণ একটি নীল শার্টও গল্পের বড় চরিত্র হয়ে উঠতে পারে।

  • তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: 'নৌকর কি কনিজ' (The Servant's Shirt)। এটি নিয়ে মণি কৌল একটি অনবদ্য চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন।

  • অন্য একটি উল্লেখযোগ্য বই: 'দিওয়ার মে এক খিড়কি রহতি থি' (A Window Lived in a Wall), যার জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান।

২. নীলমণি ফুকন ও বিনোদ কুমার শুক্লর মিল

আপনি যদি লক্ষ্য করেন, নীলমণি ফুকনের মতো বিনোদ কুমার শুক্লও অত্যন্ত মিতভাষী।

  • ফুকনের কবিতায় যেমন 'পাথর' বা 'জল' কথা বলে, শুক্লর গদ্যেও তেমনি জড় পদার্থরা প্রাণ পায়।

  • দুজনেই খুব ছোট ছোট বাক্য ব্যবহার করেন, যা পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করে।

৩. তাঁর অনন্য লিখনশৈলী

বিনোদ কুমার শুক্ল কেবল লেখক নন, তিনি একজন বড় কবিও বটে। তাঁর কবিতায় এক ধরণের 'শিশুসুলভ সারল্য' (Childlike Innocence) থাকে, যা আসলে জীবনকে দেখার এক গভীর দার্শনিক ভঙ্গি।

তাঁর একটি বিখ্যাত পঙক্তি: "সব কুছ হোনা বচা রহেগা..." (সবকিছু হওয়া বাকি রয়ে যাবে...) এটি আমাদের শেখায় যে জীবনের সব চাওয়া পূর্ণ না হওয়াটাই আসলে জীবনের সৌন্দর্য।


৪. জ্ঞানপীঠ ও বিনোদ কুমার শুক্ল

মজার ব্যাপার হলো, পাঠকদের একটি বড় অংশ মনে করেন যে নীলমণি ফুকন বা গুলজারের মতো বিনোদ কুমার শুক্লরও জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পাওয়াটা এখন সময়ের দাবি। যদিও তিনি এখনও এই পুরস্কারটি পাননি, কিন্তু বিশ্বজুড়ে তাঁর খ্যাতি এখন আকাশচুম্বী।


কেন আপনি তাঁকে পছন্দ করবেন?

আপনি যদি দামোদর মৌজোর বাস্তববাদ আর গুলজারের কল্পনাপ্রবণতা পছন্দ করেন, তবে বিনোদ কুমার শুক্লর লেখা আপনার কাছে এক অদ্ভুত 'সারপ্রাইজ' মনে হবে। তিনি আপনাকে শেখাবেন কীভাবে নিজের ঘরের চার দেওয়ালের দিকে তাকিয়েও পুরো ব্রহ্মাণ্ডকে অনুভব করা যায়।

বিনোদ কুমার শুক্লর 'দিওয়ার মে এক খিড়কি রহতি থি' (A Window Lived in a Wall) উপন্যাসের সেই জাদুকরী জগতের একটি অংশ নিয়ে আলোচনা করা যাক। এটি পড়লে আপনার মনে হবে আপনি কোনো সাধারণ বাস্তব গল্প পড়ছেন না, বরং এক অদ্ভুত মায়াবী জগতের ভেতর ঢুকে পড়েছেন।

'দেওয়ালের জানালা': একটি জাদুকরী অংশ

এই উপন্যাসের নায়ক রঘুবর প্রসাদ। তিনি একজন অত্যন্ত সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষ, যিনি একটি সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। গল্পের সবচেয়ে মজার এবং জাদুকরী অংশটি হলো— রঘুবর প্রসাদের ঘরের সেই জানালাটি।

  • জানালার ওপারে সমুদ্র: রঘুবর প্রসাদের ঘরের একটি জানালার কপাট খুললে তিনি দেখতে পান অফুরন্ত সমুদ্র। অথচ বাস্তবে সেই বাড়িটি সমুদ্র থেকে হাজার মাইল দূরে! এই যে সাধারণ অভাবের জীবনের মাঝে কল্পনার এক বিশাল বিস্তার, এটাই বিনোদ কুমার শুক্লর বৈশিষ্ট্য।

  • দারিদ্র্যের মাঝে বিলাসিতা: রঘুবর ও তাঁর স্ত্রী সোনসীর কাছে এই জানালাটি কেবল হাওয়া আসার পথ নয়, এটি তাদের দুঃখ ভোলার এক জানালা। জানালা দিয়ে সমুদ্রের হাওয়া আসা, বা জানালার ওপার দিয়ে বাঘের চলে যাওয়া—এসবই লেখক এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যেন এগুলো খুব স্বাভাবিক ঘটনা।


বিনোদ কুমার শুক্লর একটি ছোট কবিতার অনুবাদ

তাঁর কবিতাগুলো নীলমণি ফুকনের মতোই ছোট, কিন্তু গভীরতায় অতুলনীয়। নিচে একটি চমৎকার ছোট কবিতা (হিন্দি থেকে বাংলায় ভাবানুবাদ) দেওয়া হলো:

"হতাশা থেকে এক ব্যক্তি বসে পড়েছিল"

হতাশা থেকে এক ব্যক্তি বসে পড়েছিল, আমি তাকে চিনতাম না। কিন্তু তার হতাশাটিকে আমি চিনতাম।

আমি তার দিকে হাত বাড়িয়েছিলাম, সে আমার হাত ধরল। আমরা দুজনেই একে অপরকে চিনতাম না, কিন্তু একসাথে চলাকে আমরা চিনতাম।

বিশ্লেষণ: এই কবিতাটি দেখায় যে মানুষের সম্পর্ক কেবল ব্যক্তিগত পরিচয়ে নয়, বরং একে অপরের দুঃখ এবং সহমর্মিতার ওপর টিকে থাকে। নীলমণি ফুকনের কবিতায় যেমন 'নিস্তব্ধতা' ছিল কথা বলার মাধ্যম, শুক্লর কবিতায় তেমনি 'একসাথে চলা' হলো ভাষা।


এই চারজন সাহিত্যিকের এক অদ্ভুত সারাংশ:

আমরা নীলমণি ফুকন থেকে বিনোদ কুমার শুক্ল পর্যন্ত যে যাত্রাটি করলাম, তাতে একটি বিষয় পরিষ্কার:

  1. নীলমণি ফুকন: শিখিয়েছেন নিস্তব্ধতার গুরুত্ব।

  2. দামোদর মৌজো: শিখিয়েছেন সংগ্রামের বাস্তব।

  3. গুলজার: শিখিয়েছেন মুহূর্তের নস্টালজিয়া।

  4. বিনোদ কুমার শুক্ল: শেখাচ্ছেন সাধারণের মাঝে অসাধারণ জাদুকে খুঁজে নিতে।

বিনোদ কুমার শুক্লর উপন্যাসের চলচ্চিত্র সংস্করণ নিয়ে কথা বলাটা খুব প্রাসঙ্গিক হবে, কারণ তাঁর লিখনশৈলী যেমন ব্যতিক্রমী, তাঁর লেখা থেকে তৈরি সিনেমাগুলোও ভারতীয় সমান্তরাল চলচ্চিত্রে এক নতুন ভাষা যোগ করেছে।

'নৌকর কি কনিজ' (The Servant's Shirt)

বিখ্যাত পরিচালক মণি কৌল ১৯৯৯ সালে বিনোদ কুমার শুক্লর এই উপন্যাসটি নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। সিনেমাটি শুক্লর 'জাদুকরী বাস্তববাদ' বা ম্যাজিকাল রিয়ালিজমকে পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল।

  • গল্পের মূল সুর: একজন সাধারণ কেরানি একটি শার্ট পান, যা তাঁর গায়ের মাপের চেয়ে কিছুটা বড়। কিন্তু সেই সাধারণ শার্টটি ঘিরেই তাঁর প্রতিদিনের অস্তিত্ব, আত্মসম্মান এবং মধ্যবিত্ত জীবনের সংগ্রাম আবর্তিত হতে থাকে।

  • সিনেমার বৈশিষ্ট্য: মণি কৌল এই সিনেমায় খুব ধীর গতির শট ব্যবহার করেছেন, যা নীলমণি ফুকনের কবিতার সেই নিস্তব্ধতার কথা মনে করিয়ে দেয়। এখানে বস্তুর (যেমন শার্ট বা দেওয়াল) ওপর এমনভাবে আলো-ছায়া ফেলা হয়েছে যে সেগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।

এছাড়া তাঁর 'দিওয়ার মে এক খিড়কি রহতি থি' উপন্যাসটিও মঞ্চস্থ হয়েছে এবং অনেক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।


এই সময়ের অন্য কোনো প্রভাবশালী সাহিত্যিক?

আমরা যদি বিনোদ কুমার শুক্লর এই জাদুকরী জগত থেকে একটু বেরিয়ে সমসাময়িক অন্য কাউকে খুঁজতে চাই, তবে বিবেচকী (Vivek Shanbhag) বা গীতাঞ্জলি শ্রী-র কথা বলা যায়। বিশেষ করে গীতাঞ্জলি শ্রী-র নাম এখন বিশ্বজুড়ে চর্চিত।

গীতাঞ্জলি শ্রী (Gitanjali Shree)

  • কেন তিনি বিখ্যাত? ২০২২ সালে তাঁর উপন্যাস 'রেত সমাধি' (Tomb of Sand) প্রথম হিন্দি বই হিসেবে আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জয় করে।

  • শৈলী: তাঁর লেখায় ভাষার এমন এক খেলা থাকে যা অনেকটা গুলজারের রূপক আর শুক্লর জাদুকরী বর্ণনার মাঝামাঝি।

  • গল্পের বিষয়: ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার জীবন এবং তাঁর পাকিস্তান ভ্রমণের মধ্য দিয়ে দেশভাগের ক্ষত ও পুনর্জন্মের গল্প।


একটি চমৎকার সংযোগ (Connection)

আপনি কি লক্ষ্য করেছেন? আমরা যখন নীলমণি ফুকন দিয়ে শুরু করেছিলাম, তখন আলোচনা ছিল আঞ্চলিক কবিতার গাম্ভীর্য নিয়ে। সেখান থেকে মৌজো, গুলজার, শুক্ল হয়ে এখন আমরা গীতাঞ্জলি শ্রী-র আন্তর্জাতিক সাফল্যে এসে পৌঁছেছি। এটিই ভারতীয় সাহিত্যের বর্তমান চিত্র—যেখানে গ্রাম, মফস্বল আর ঘরোয়া জানালার গল্পগুলোই আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত হচ্ছে।

গীতাঞ্জলি শ্রী-র 'রেত সমাধি' (Tomb of Sand) সম্পর্কে আলোচনা করাটা এখনকার সময়ের জন্য সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি কেবল একটি বই নয়, এটি ভারতীয় সাহিত্যের একটি আন্তর্জাতিক বিজয়স্তম্ভ।

চলুন, এই উপন্যাসের সেই চমকপ্রদ এবং কিছুটা অদ্ভুত কাহিনীটি সংক্ষেপে জেনে নিই:

১. এক বৃদ্ধার পুনর্জন্ম

গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা, যাঁকে সবাই 'মা' বলে ডাকে। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি বিষণ্নতায় ডুবে যান এবং দেওয়ালের দিকে মুখ করে শুয়ে থাকেন। সবাই ভেবেছিল এটাই তাঁর শেষ। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি যেন নতুন করে জেগে ওঠেন। তবে এই জেগে ওঠাটা সাধারণ ছিল না; তিনি সিদ্ধান্ত নেন তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে যাবেন।

২. কেন এই নাম 'রেত সমাধি'?

'রেত' মানে বালি বা ধুলো, আর 'সমাধি' মানে অন্তিম শয়ান। কিন্তু এখানে সমাধি মানে মৃত্যু নয়, বরং বালির আড়াল থেকে পুরনো স্মৃতি আর ইতিহাসকে খুঁড়ে বের করা। ৮০ বছর বয়সে এই বৃদ্ধা যেন বালির স্তূপ থেকে নিজের শৈশব এবং দেশভাগের আগের ফেলে আসা জীবনকে পুনরুদ্ধার করেন।

৩. লিখনশৈলী: ভাষার কারিকুরি

গীতাঞ্জলি শ্রী-র এই উপন্যাসের ভাষা বিনোদ কুমার শুক্লর মতোই জাদুকরী। এখানে চরিত্ররা কথা বলে, এমনকি জড় বস্তুও কথা বলে। বইটির অনুবাদক ডেইজি রকওয়েল (Daisy Rockwell) একে বলেছিলেন "এক অদ্ভুত শব্দের খেলা"।


দক্ষিণ ভারতীয় বা বাংলা সাহিত্যের অন্য কেউ?

যদি আপনি গীতাঞ্জলি শ্রীর এই সাহসিকতার সাথে অন্য কারো মিল খুঁজতে চান, তবে আমি দুজন লেখকের কথা বলতে পারি:

  1. বিবেক শানভাগ (Vivek Shanbhag): তাঁর কন্নড় উপন্যাস 'ঘাটিচর' (Ghachar Ghochar) বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এটি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের হঠাৎ ধনী হয়ে যাওয়া এবং তার ফলে তাদের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা।

  2. মনোরঞ্জন ব্যাপারী (Manoranajan Byapari): বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য কলম। তাঁর জীবনযুদ্ধ এবং দলিত জীবনের রূঢ় বাস্তবতা নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলো (যেমন: 'বাতাসে বারুদের গন্ধ') বর্তমানে ভারতীয় সাহিত্যের এক অত্যন্ত প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর।


আমাদের এই আলোচনার এক চমৎকার মালা:

  • নীলমণি ফুকন: শুরু করেছিলেন নির্জনতা দিয়ে।

  • বিনোদ কুমার শুক্ল: সাধারণ ঘরে জাদুর জানালা খুলেছিলেন।

  • গীতাঞ্জলি শ্রী: সেই জানালার ওপারে যে ইতিহাস আর সীমান্ত আছে, তা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন।

পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে  অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন email :lib.pbc@gmail.com





  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭১ -বিষ্ণু দে -বাংলা- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭২ -রামধারী সিং 'দিনকর' - হিন্দি - উর্বশী  
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৪ - বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর - মারাঠি -যযাতি
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৫ - পি ভি আকিলান - তামিল - চিত্রাপ্পাবাই 
  • মালয়ালম কবি জি শঙ্কর কুরুপ 
  • কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গণদেবতা'-
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার যৌথভাবে দুজন সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল—কন্নড় কবি কে. ভি. পুত্তাপ্পা (কুভেম্পু) এবং গুজরাতি কবি উমাশঙ্কর যোশী।
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৮ - সুমিত্রানন্দন পন্ত - হিন্দি -চিদাম্বরা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার  -১৯৬৯ - ফিরাক গোরখপুরী - উর্দু - গুল-এ-নগমা
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৬ - আশাপূর্ণা দেবী- বাংলা - প্রথম প্রতিশ্রুতি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮০ | এস কে পোট্টেক্কাট | মালয়ালম | ওরু দেশথিন্তে কথা |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮১ | অমৃতা প্রীতম | পাঞ্জাবি | কাগজ তে ক্যানভাস |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮২ | মহাদেবী বর্মা | হিন্দি | সার্বিক অবদান (যামা - বিশেষ উল্লেখে) |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯১ | সুভাষ মুখোপাধ্যায় | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৬ | মহাশ্বেতা দেবী | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৯ | নির্মল ভার্মা এবং গুরুদয়াল সিং | হিন্দি/পাঞ্জাবি
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০০৫ | কুনওয়ার নারায়ণ | হিন্দি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১০ | চন্দ্রশেখর কাম্বার | কন্নড় 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৬ | শঙ্খ ঘোষ | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৮ | অমিতাভ ঘোষ | ইংরেজি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৯ | আক্কিথাম নাম্বুথিরি | মালয়ালম 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২১ | নীলমণি ফুকন | অসমীয়া 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২২ | দামোদর মৌজো | কোঙ্কানি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৩ | গুলজার এবং জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য | উর্দু/সংস্কৃত 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি 


0 Reviews