ভাণ্ডারিয়া এক গম্বুজ মসজিদ (মিয়া বাড়ি মসজিদ)

ভাণ্ডারিয়া এক গম্বুজ মসজিদ (মিয়া বাড়ি মসজিদ)

Size

Read more

 







ভাণ্ডারিয়া এক গম্বুজ মসজিদ (মিয়া বাড়ি মসজিদ)

পিরোজপুরের এই ঐতিহাসিক মসজিদে যাওয়ার সহজ উপায় নিচে দেওয়া হলো:

ভাণ্ডারিয়া এক গম্বুজ মসজিদ (মিয়া বাড়ি মসজিদ)

অবস্থান: এই মসজিদটি পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ডের ঠিক পাশেই অবস্থিত

ঠিকানা: এটি ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের ভেতরে রয়েছে

যাতায়াত ব্যবস্থা

. ঢাকা থেকে: ঢাকা (গাবতলী বা সায়েদাবাদ) থেকে পিরোজপুর বা ভাণ্ডারিয়াগামী সরাসরি বাসে চড়তে পারেন বাসে করে সরাসরি ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ডে নামা যায় . পিরোজপুর সদর থেকে: আপনি যদি পিরোজপুর সদরে থাকেন, তবে সেখান থেকে বাস বা সিএনজি (CNG) করে ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ডে আসতে পারবেন. ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে: বাস স্ট্যান্ডে নামার পর আপনি যে কাউকে 'মিয়া বাড়ির মসজিদ' বা 'কবরস্থানের ভেতরের মসজিদ' বললেই পথ দেখিয়ে দেবে এটি বাস স্ট্যান্ড থেকে হাঁটা দূরত্বেই অবস্থিত

পিরোজপুরের এই ঐতিহাসিক মসজিদটি সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

বর্তমান অবস্থা

সংস্কার সংরক্ষণ: মসজিদটি কিছুকাল আগে সংস্কার করা হয়েছে, যার ফলে এর ৪০০ বছরের পুরনো কাঠামোটি এখনও টিকে আছে

ব্যবহার: ভিডিওর তথ্য অনুযায়ী, এটি বর্তমানে মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের ভেতর অবস্থিত মসজিদের ভেতরটি বর্তমানে বেশ পরিচ্ছন্ন রাখা হয়েছে

স্থাপত্য: এটি লাল ইটের তৈরি একটি এক-গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ এর দেওয়ালে প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর ছাপ স্পষ্ট, যদিও সময়ের সাথে সাথে কিছু অংশ কিছুটা জীর্ণ হয়েছে

যাওয়ার পথ

মসজিদটি পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় অবস্থিত এখানে যাওয়ার সাধারণ উপায়গুলো হলো:

অবস্থান: ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ডের ঠিক পাশেই মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের ভেতরে এটি অবস্থিত

যাতায়াত: পিরোজপুর সদর থেকে বাস বা সিএনজি যোগে ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ডে আসা যায় বাস স্ট্যান্ড থেকে সামান্য দূরত্বেই এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটির দেখা মিলবে

পিরোজপুরের এই মসজিদটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং এর পেছনে রয়েছে নানা ঐতিহাসিক মতবাদ ভিডিওর তথ্যানুসারে এর ইতিহাস নিচে তুলে ধরা হলো:

নির্মাণকাল স্থাপত্যশৈলী

মসজিদটি পিরোজপুরের প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো একটি স্থাপত্য

এটি লাল ইটের তৈরি এবং এর উপরে একটি বিশাল গম্বুজ রয়েছে

ইতিহাসবিদদের মতে, এটি মোঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল

কারো কারো মতে, এটি মোঘল আমলের পূর্বে খলিফাবাদ আমলে তৈরি

ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহাসিক মতবাদ

মসজিদটির নির্মাতা নিয়ে প্রধানত দুটি মত প্রচলিত আছে:

. জমিদার ভোলাই চোকদার: অনেকের মতে, শিয়া মতাবলম্বী জমিদার ভোলাই চোকদার এটি নির্মাণ করেন তিনি এটি নামাজের পাশাপাশি বিচারের কাজ পরিচালনার জন্যও ব্যবহার করতেন

. খান জাহান আলী: অন্য একটি মত অনুযায়ী, ষাটগম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা খান জাহান আলীর সময় এটি নির্মিত হয় তিনি তাঁর সহযোগীদের জন্য এই অঞ্চলে ৮টি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ তৈরি করেছিলেন, যার মধ্যে এটি একটি

অবস্থান

মসজিদটি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া বাস স্ট্যান্ডের পাশে মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের ভেতর অবস্থিত সম্প্রতি এটি সংস্কার করা হয়েছে

 


0 Reviews