কাশীজোড়া পরগনা : ভৌগোলিক সীমানা

কাশীজোড়া পরগনা : ভৌগোলিক সীমানা

Size

Read more

 

ভৌগোলিক সীমানা:কাশীজোড়া পরগনা 

পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর অঞ্চলের (বর্তমানে মূলত পূর্ব মেদিনীপুর) ঐতিহাসিক পরগনাগুলোর মধ্যে কাশীজোড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং নামকরণের ইতিহাস বেশ বৈচিত্র্যময়।

আপনার জানার সুবিধার্থে বিষয়টিকে দুটি ভাগে আলোচনা করছি:


১. ভৌগোলিক অবস্থান (Geographical Location)

কাশীজোড়া পরগনাটি মূলত বর্তমান পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া, তমলুক এবং ময়না ব্লকের একাংশ নিয়ে গঠিত ছিল। এর সীমানা ও ভূপ্রকৃতি ছিল নিম্নরূপ:

নদীবেষ্টিত এলাকা: এই পরগনাটি মূলত কাসাই (কংসাবতী) এবং রূপনারায়ণ নদের মধ্যবর্তী উর্বর পলিগঠিত অঞ্চলে অবস্থিত ছিল।

সীমানা: এর উত্তরে ছিল মেদিনীপুর পরগনা, দক্ষিণে ময়না ও তমলুক এবং পূর্বে রূপনারায়ণ নদ।

ভূপ্রকৃতি: এলাকাটি নিচু এবং জলাভূমিপূর্ণ ছিল। প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি নৌবাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ রূপনারায়ণ ও কংসাবতীর সংযোগস্থলটি ছিল অত্যন্ত সক্রিয়।


২. নামতত্ত্ব (Etymology)

'কাশীজোড়া' নামের উৎপত্তি নিয়ে ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিকদের মধ্যে কয়েকটি প্রধান মত প্রচলিত রয়েছে:

কাশী (Kashi) + জোড়া (Jora):

একটি প্রচলিত মত অনুসারে, এই পরগনায় প্রচুর পরিমাণে কাশ ফুল বা কাশ ঘাস জন্মাত। 'কাশ' বন এবং তার পাশের জলাভূমি বা জনপদ মিলে 'কাশীজোড়া' নাম হতে পারে।

অন্য একটি স্থানীয় লোকগাথা অনুযায়ী, এই অঞ্চলে একসময় কাশীশ্বর মহাদেব বা শিবের প্রভাব ছিল। ধর্মীয় আধিপত্য থেকে 'কাশী' এবং দুটি ছোট অঞ্চল বা খণ্ড মিলে যাওয়ায় 'জোড়া' শব্দটি যুক্ত হয়েছে।

রাজবংশের ইতিহাস: কাশীজোড়ার রাজারা ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। স্থানীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী, এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা বা কোনো প্রভাবশালী শাসকের নামের সাথে 'কাশী' শব্দটি যুক্ত ছিল। 'জোড়া' শব্দটি সম্ভবত দুটি ভিন্ন জমিদারি বা তালুক একত্রিত করার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।


ঐতিহাসিক গুরুত্ব

কাশীজোড়া পরগনাটি বাংলার জমিদারির ইতিহাসে বিশেষ পরিচিতি পায় রাজা সুন্দরনারায়ণ এবং পরবর্তীকালে রানী চন্দ্রমণির শাসনকালে। ব্রিটিশ শাসনামলে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে এটি ছিল মেদিনীপুরের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

কাশীজোড়া পরগনার স্থাপত্যের কথা বললে প্রথমেই আসে এর ঐতিহাসিক রাজবাড়ি এবং পার্শ্ববর্তী মন্দিরগুলোর কথা। যদিও সময়ের বিবর্তনে এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আজ তার অনেক কিছুই ধ্বংসাবশেষ, তবুও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

কাশীজোড়া অঞ্চলের স্থাপত্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:


১. কাশীজোড়া রাজবাড়ি

পাঁশকুড়া স্টেশনের কাছাকাছি এবং কংসাবতী নদীর তীরবর্তী এলাকায় এই রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ আজও দেখা যায়।

স্থাপত্যশৈলী: এই রাজবাড়িটি মূলত বাংলা এবং ইউরোপীয় স্থাপত্যের এক মিশ্র রূপ ছিল। বিশাল ফটক, নহবতখানা এবং অন্দরমহলের কাঠামোটি অত্যন্ত রাজকীয় ছিল।

বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে মূল রাজবাড়ির সিংহভাগই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে পুরনো আমলের ইট, খিলান এবং জানালার কারুকাজ দেখে সেই সময়ের আভিজাত্য আন্দাজ করা যায়।

২. রাধাকান্ত মন্দির

কাশীজোড়া রাজবংশ বৈষ্ণব ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিল। ফলে এখানে বেশ কিছু চমৎকার মন্দির নির্মিত হয়েছিল।

গঠন: এখানকার মন্দিরগুলো মূলত আটচালা বা রত্ন শৈলীর। পোড়ামাটির বা টেরাকোটা কাজের নিপুণ শিল্পকলা একসময় এই মন্দিরগুলোর দেওয়ালে শোভা পেত।

বিগ্রহ: মন্দিরে রাধাকান্ত জিউ (শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা) এবং গোপীনাথের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত ছিল, যা রাজবংশের ধর্মীয় ঐতিহ্যের পরিচয় দেয়।

৩. কাছারি বাড়ি ও দুর্গ

রাজস্ব আদায়ের জন্য এই পরগনায় একটি বিশাল কাছারি বাড়ি ছিল। এছাড়া সুরক্ষার খাতিরে রাজবাড়ির চারপাশে পরিখা (Moat) এবং মাটির উঁচু দেওয়াল বা গড়ের অস্তিত্ব ছিল। লোকমুখে শোনা যায়, বর্গী আক্রমণের সময় এই গড়গুলোই সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিত।

৪. ময়নাগড় (পার্শ্ববর্তী স্থাপত্য)

কাশীজোড়ার খুব কাছেই অবস্থিত ময়নাগড়, যার সাথে কাশীজোড়া রাজবংশের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এটি একটি অনন্য জলদুর্গ (Water Fort) যেখানে স্থাপত্যের চেয়ে সামরিক কৌশলের ছাপ বেশি দেখা যায়।


একটি ঐতিহাসিক তথ্য (রাজা সুন্দরনারায়ণ)

কাশীজোড়ার স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ ছিল রাজা সুন্দরনারায়ণের সময়। তিনি ছিলেন শিল্প ও সংস্কৃতির বড় অনুরাগী। ইংরেজ আমলে লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংসের সাথে এই রাজবংশের বিবাদ এবং সুপ্রিম কোর্টের পরোয়ানা নিয়ে টানাপোড়েনের ঘটনাটি ইতিহাসে 'কাশীজোড়া মামলা' (Kasijora Case, 1779) নামে বিখ্যাত।

আজকের দিনে 'কাশীজোড়া' নামে একক কোনো প্রশাসনিক ব্লক নেই, তবে এই পরগনার এলাকাগুলো বর্তমানে প্রধানত নিম্নোক্ত অঞ্চলগুলোতে ছড়িয়ে আছে:

পাঁশকুড়া (পূর্ব মেদিনীপুর)

পাঁশকুড়া শহর এবং তার আশেপাশের গ্রামগুলি মূলত পাঁশকুড়া ব্লক (Panskura Block)-এর অধীনে।

আগের নাম: এই ব্লকের আগে নাম ছিল পাঁশকুড়া-১ (Panskura-I)। ২০১১ সালের পর থেকে এটি মূলত 'পাঁশকুড়া ব্লক' নামেই পরিচিত।

সদর দপ্তর (HQ): এই ব্লকের সদর দপ্তর পাঁশকুড়াতেই অবস্থিত। এটি তমলুক মহকুমার (Tamluk Subdivision) অন্তর্গত।

পাঁশকুড়া ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত তালিকা:

১. চৈতনপুর (Chaitanyapur)

২. গোবিন্দনগর (Gobindanagar)

৩. হাউর (Haur)

৪. খণ্ডখোলা (Khandakhola)

৫. মাইসোরা (Mysora)

৬. নেতাজী (Netaji)

৭. প্রতাপপুর-১ (Pratappur-I)

৮. প্রতাপপুর-২ (Pratappur-II)

৯. পুরষোত্তমপুর (Purshottampur)

১০. রাঘবপুর (Raghunathbari-র নিকটবর্তী রাঘবপুর)

১১. রতনপুর (Ratanpur)

১২. সাগরবাড় (Sagarbarh)

১৩. তাতালপুর (Tatalpur)

১৪. জিরাঁত (Zirat)

পাঁশকুড়া শহরের মূল অংশটি পাঁশকুড়া পৌরসভা (Panskura Municipality)-র অধীনে পরিচালিত হয়। এটি ১৮টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।

কোলাঘাট ব্লক: এই ব্লকটি আগে পাঁশকুড়া-২ (Panskura-II) নামে পরিচিত ছিল। ২০১১ সালে এর নাম পরিবর্তন করে 'কোলাঘাট ব্লক' রাখা হয়েছে।

পাঁশকুড়া-২ (Panskura-II) ব্লক নামে পরিচিত ছিল, বর্তমানে সেটি প্রশাসনিকভাবে কোলাঘাট ব্লক (Kolaghat Block) নামে পরিচিত।

এই ব্লকের অধীনে মোট ১৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত (অঞ্চল) রয়েছে। নিচে তাদের নামের তালিকা দেওয়া হলো:

কোলাঘাট ব্লকের (পূর্বতন পাঁশকুড়া-২) গ্রাম পঞ্চায়েত তালিকা:

১. ভোগপুর (Bhogpur)

২. পায়াগ (Payag)

৩. সিদ্ধা (Siddha)

৪. দেহাটি (Dehati)

৫. কোলাঘাট (Kolaghat) — এটি মূলত গ্রামীণ এলাকা সংলগ্ন পঞ্চায়েত।

৬. আমানন্দপুর (Amanandpur)

৭. বৃষভপুর (Baishnabchak / Brishabpur)

৮. খোড়দা (Khorda)

৯. পুরুতবাড়ি (Purutbari)

১০. শান্তিপুর (Santipur)

১১. পঁয়ত্রিশী (Paitrishee)

১২. সাগরবাড় (Sagarbarh)

১৩. মেদিনীপুর (Mehadipur)

ঘাটাল ও দাসপুর (পশ্চিম মেদিনীপুর)

ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েত-এর নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ঘাটাল ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতসমূহ:

১. অজবনগর-১ (Ajabnagar-I)

২. অজবনগর-২ (Ajabnagar-II)

৩. বীরসিংহ (Birsingha) — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান।

৪. দেওয়ানচক-১ (Dewanchak-I)

৫. দেওয়ানচক-২ (Dewanchak-II)

৬. ইড়পালা (Irphala)

৭. মনোহরপুর-১ (Monoharpur-I)

৮. মনোহরপুর-২ (Monoharpur-II)

৯. মনসুকা-১ (Mansuka-I)

১০. মনসুকা-২ (Mansuka-II)

১১. পাঞ্চবেড়িয়া (Panchberia)

১২. শিলাবতী (Silabati)

দাসপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

দাসপুর-১ ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতসমূহ

১. বাসুদেবপুর (Basudevpur)

২. দাসপুর-১ (Daspur-I)

৩. দাসপুর-২ (Daspur-II)

৪. নন্দনপুর-১ (Nandanpur-I)

৫. নন্দনপুর-২ (Nandanpur-II)

৬. নিঝারি (Nijhari)

৭. পঞ্চবেরিয়া (Panchberia)

৮. রাজনগর (Rajnagar)

৯. সরবেড়িয়া-১ (Sarberia-I)

১০. সরবেড়িয়া-২ (Sarberia-II)

দাসপুর-২ ব্লকের অধীনে থাকা ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত এর নাম নিচে তালিকাভুক্ত করা হলো:

দাসপুর-২ ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত তালিকা

১. বেনাই (Benai)

২. চৈপাট (Chaipat)

৩. দুদকোমরা (Dudkomra)

৪. গোটপাড়া (Gotpota)

৫. খানজাপুর (Khanjapur)

৬. খেপুত (Kheput)

৭. লাউদা (Lauda)

৮. নিশ্চিন্তপুর (Nishchintapur)

৯. পলাশপাই (Palaspai)

১০. রানিচক (Ranichak)

১১. সাগরপুর (Sagarpur)

১২. সাহচক (Sahachak)

১৩. সোনারুই (Sonarui)

১৪. খুকুড়দহ (Khukurda)

ময়না (পূর্ব মেদিনীপুর)

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না (Moyna) এলাকায় একটিই পঞ্চায়েত সমিতি রয়েছে।

ময়না পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েত এর নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ময়না পঞ্চায়েত সমিতির গ্রাম পঞ্চায়েতসমূহ:

১. বাকচা (Bakcha)

২. গজিনা (Gojina)

৩. গোকুলনগর (Gokulnagar)

৪. ময়না-১ (Moyna I)

৫. ময়না-২ (Moyna II)

৬. নৈছনপুর-১ (Naichanpur I)

৭. নৈছনপুর-২ (Naichanpur II)

৮. পরমানন্দপুর (Paramanandapur)

৯. রামচক (Ramchak)

১০. শ্রীকণ্ঠ (Srikantha)

১১. তিলখোঁজা (Tilkhoja)

তমলুক পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. অনন্তপুর ১

২. অনন্তপুর ২

৩. বিষ্ণুবেড়িয়া ১

৪. বিষ্ণুবেড়িয়া ২

৫. উত্তর সোনামুই

৬. দক্ষিণ সোনামুই

৭. পদুমপুর ১

৮. পদুমপুর ২

৯. পিপুলবেড়িয়া ১

১০. পিপুলবেড়িয়া ২

১১. শ্রীরামপুর ১

১২. শ্রীরামপুর ২

শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতসমূহ:

১. বল্লুক-১ (Balluk I)

২. বল্লুক-২ (Balluk II)

৩. বরই-১ (Barait I)

৪. বরই-২ (Barait II)

৫. ধলহরা (Dhalhara)

৬. কাকটিয়া (Kakatya)

৭. খাড়ুই-১ (Kharui I)

৮. খাড়ুই-২ (Kharui II)

৯. রঘুনাথপুর-১ (Raghunathpur I)

১০. রঘুনাথপুর-২ (Raghunathpur II)

নন্দকুমার ব্লকের অধীনে থাকা ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েত এর নাম নিচে দেওয়া হলো:

১. বরগোদা (Bargoda)

২. ব্যোমড়ক (Byomrak)

৩. চক সিমুলিয়া (Chak Shimulia)

৪. দক্ষিণ চক (Dakshin Chak)

৫. কল্যাণপুর (Kalyanpur)

৬. কুমারপুর (Kumarpur)

৭. নন্দকুমার (Nandakumar)

৮. নরঘাট (Narghat)

৯. শীতলপুর (Shitalpur)

১০. শ্রীকণ্ঠ (Srikantha)

১১. ব্যবত্তারহাট পূর্ব (Byabattarhat East)

১২. ব্যবত্তারহাট পশ্চিম (Byabattarhat West)

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর (Chandipur) ব্লকের অধীনে থাকা ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. ব্রজলালচক (Brajalalchak)

২. চণ্ডীপুর (Chandipur)

৩. চৌখালি (Choukhali)

৪. দিবালপুর (Dibalpur)

৫. ইশ্বরপুর (Iswarpur)

৬. জালালপুর (Jalalpur)

৭. কুলবাড়ি (Kulbari)

৮. নন্দপুর (Nandapur)

৯. অস্থি (Oshti)

১০. বৃন্দাবনপুর (Brindabanpur)

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা (Pingla) ব্লকের অধীনে মোট ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। নিচে পিংলা পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েতগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:

পিংলা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতসমূহ

১. পিংলা (Pingla)

২. ক্ষীরাই (Kshirai)

৩. গোবর্ধনপুর (Gobardhanpur)

৪. ধানঘোরী (Dhanghori)

৫. জলচক-১ (Jalchak I)

৬. জলচক-২ (Jalchak II)

৭. মালিগ্রাম (Maligram)

৮. করকই (Karkai)

৯. পিন্ডরুই (Pindrui)

১০. যামনা (Jamna)

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডিবরা (Debra) পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে মোট ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। নিচে তাদের নামের তালিকা দেওয়া হলো:

ডিবরা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতসমূহ

১. বালিচক (Balichak)

২. ডিবরা-১ (Debra I)

৩. ডিবরা-২ (Debra II)

৪. দোয়াচক (Doachak)

৫. গোলগ্রাম (Golgram)

৬. জালিমন্দা (Jalimanda)

৭. খানামোহন (Khanmohan)

৮. লোয়াদা (Loyada)

৯. মালিঘাই (Malighai)

১০. রাধামোহনপুর-১ (Radhamohanpur I)

১১. রাধামোহনপুর-২ (Radhamohanpur II)

১২. সত্যপুর (Satyapur)

১৩. স্নাতপুর (Snatpur)

১৪. ভবানীপুর (Bhabanipur)

পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর অঞ্চলের (বর্তমানে মূলত পূর্ব মেদিনীপুর) ঐতিহাসিক পরগনাগুলোর মধ্যে কাশীজোড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।পড়ার জন্য ধন্যবাদ  লেখা কে কপি পেস্ট না করে শেয়ার করুন ।। 🙏 লেখক আব্দুল মুসরেফ খাঁন। পাঁশকুড়া। পুর্বমেদিনীপুর।।


0 Reviews